নিচের প্রশ্নগুলোর সংক্ষিপ্ত উত্তর লিখুন:
"যার ভিতরে ভয়, সে-ই বাইরে ভয় পায়"—এই কথার মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে একজন মানুষের মনে যদি ভয় বা দ্বিধা থাকে, তাহলে সে বাস্তব জীবনেও সেই ভয়ের প্রকাশ ঘটাবে। অর্থাৎ, অন্তরের দুর্বলতা বাহ্যিক আচরণে প্রতিফলিত হয়।
"যার ভিতরে ভয়, সে-ই বাইরে ভয় পায়"—এই কথার মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে একজন মানুষের মনে যদি ভয় বা দ্বিধা থাকে, তাহলে সে বাস্তব জীবনেও সেই ভয়ের প্রকাশ ঘটাবে। অর্থাৎ, অন্তরের দুর্বলতা বাহ্যিক আচরণে প্রতিফলিত হয়।
১. মনের শক্তিই আসল শক্তি
– যদি কেউ আত্মবিশ্বাসী হয় এবং মনে সাহস রাখে, তাহলে বাইরের কোনো বিপদ বা প্রতিকূলতা তাকে সহজে দমিয়ে দিতে পারবে না।
– কিন্তু যার মনে সবসময় ভয় বা সন্দেহ কাজ করে, সে সামান্য সমস্যাতেও আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।
২. ভীতু মন দুর্বলতা সৃষ্টি করে
– ভয়ের কারণে মানুষ বাস্তব জীবনে দৃঢ়ভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।
– যারা মনে মনে ভীতু, তারা যেকোনো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে ভয় পায় এবং পিছিয়ে যায়।
৩. মানসিক প্রস্তুতির গুরুত্ব
– জীবনসংগ্রামে সফল হতে হলে ভয়কে জয় করা জরুরি।
– আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য ও সাহস থাকলে যে কোনো কঠিন পরিস্থিতি সহজে মোকাবিলা করা যায়।
৪. উদাহরণ:
– পরীক্ষার আগে যে শিক্ষার্থী মনে করে সে ব্যর্থ হবে, সে পরীক্ষার হলে গিয়ে বেশি নার্ভাস হয়ে পড়ে।
– যে যোদ্ধা মনে ভয় পোষণ করে, সে যুদ্ধক্ষেত্রে সহজেই পরাজিত হয়।
– কোনো বক্তা যদি মনে করে, তার কথা শ্রোতারা গ্রহণ করবে না, তবে বক্তৃতার সময় সে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলবে।
ভয় মানুষকে ভেতর থেকে দুর্বল করে তোলে। তাই বাহ্যিক জগতে শক্তিশালী হতে হলে প্রথমে মনে সাহস আনতে হবে। আত্মবিশ্বাস ও ধৈর্য থাকলে বাহ্যিক কোনো বিপদ বা প্রতিকূলতাই মানুষকে দুর্বল করতে পারবে না।
বাংলা সাহিত্য ও ব্যাকরণ হলো বাংলা ভাষার দুটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। বাংলা সাহিত্য হলো বাংলা ভাষায় রচিত কবিতা, উপন্যাস, নাটক, গল্পসহ সৃজনশীল ও মননশীল রচনার সমষ্টি, যার সূচনা দশম শতাব্দীতে 'চর্যাপদ' এর মাধ্যমে। অন্যদিকে, বাংলা ব্যাকরণ হলো এমন একটি শাস্ত্র বা বিজ্ঞান, যা বাংলা ভাষার গঠন, প্রকৃতি, ধ্বনি, শব্দ ও বাক্যের নিয়ম-কানুন বিশ্লেষণ করে ভাষার শুদ্ধ রূপ ও প্রয়োগ শেখায়।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?